ক্যারিক্যাচার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ক্যারিক্যাচার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২১

আমার আঁকা কার্টুন- প্রণব মুখোপাধ্যায়

 

প্রণব মুখোপাধ্যায়

পুরোনো কাজ, ভারতের ১৩তম রাষ্ট্রপতি  ও বিখ্যাত নেতা শ্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় এর ক্যারিকেচার করবার প্রচেষ্টা। 


আরও দেখতে এখানে ক্লিক করুন- আমার আকা কার্টুন, ক্যারিক্যাচার ও কমিক্স 


প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায় (১১ ডিসেম্বর ১৯৩৫ — ৩১ আগস্ট ২০২০) ভারতের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি (জুলাই, ২০১২-এ কার্যভার গ্রহণকারী) ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক কর্মজীবন ছয় দশকব্যাপী। তিনি ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা। বিভিন্ন সময়ে ভারত সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। ২০১২ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে প্রণব মুখোপাধ্যায় ছিলেন ভারতের অর্থমন্ত্রী ও কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় সমস্যা-সমাধানকারী নেতা।


১৯৬৯ সালে তদনীন্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাহায্যে প্রণব মুখোপাধ্যায় ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচিত হন। এরপর রাজনৈতিক কর্মজীবনে তার দ্রুত উত্থান শুরু হয়। তিনি ইন্দিরা গান্ধীর একজন বিশ্বস্ত সহকর্মীতে পরিণত হন এবং ১৯৭৩ সালে ইন্দিরা গান্ধীর ক্যাবিনেট মন্ত্রিসভায় স্থান পান। ১৯৮২-৮৪ পর্বে তিনি ছিলেন ভারতের অর্থমন্ত্রী। ১৯৮০ থেকে ১৯৮৫ পর্যন্ত তিনি রাজ্যসভার দলনেতাও ছিলেন।


প্রণব মুখোপাধ্যায় বিভিন্ন সময়ে ভারতের বিদেশ, প্রতিরক্ষা, যোগাযোগ, রাজস্ব ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব পালনের বিরল কৃতিত্বের অধিকারী। ভারত-মার্কিন অসামরিক পরমাণু চুক্তি সাক্ষরের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। দলের প্রতি আনুগত্য ও অসামান্য প্রজ্ঞা এই বাঙালি রাজনীতিবিদকে কংগ্রেস দলে ও এমনকি দলের বাইরেও বিশেষ শ্রদ্ধার পাত্র করেছে। দেশের প্রতি অবদানের জন্য তাকে ভারতের সর্বোচ্চ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্ন ও পদ্মবিভূষণ এবং শ্রেষ্ঠ সাংসদ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। ১৯৮৪ সালে, যুক্তরাজ্যের ইউরোমানি পত্রিকার একটি সমীক্ষায় তিনি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পাঁচ অর্থমন্ত্রীর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আমার আঁকা কার্টুন- গায়ক এলটন জন

 

গায়ক এলটন জন

প্রখ্যাত ইংরেজ গায়ক ও গীতিকার এলটন জন এর ক্যারিকেচার করবার প্রচেষ্টা। 


আরও দেখতে এখানে ক্লিক করুন- আমার আকা কার্টুন, ক্যারিক্যাচার ও কমিক্স 


স্যার এলটন জন (জন্মঃ ২৫ মার্চ, ১৯৪৭) ইংরেজ গায়ক হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তার পুরো নাম স্যার এলটন হারকিউলিস জন। তিনি সিবিই বা কমান্ডার অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার পদকপ্রাপ্ত। শৈশবে তার নাম ছিল রেজিনাল্ড কেনেথ ডোয়াইট। একজন ইংরেজ সঙ্গীতশিল্পী-গীতিকার, সুরকার এবং পিয়ানোবাদক হিসেবে তিনি ১৯৬৭ সাল থেকে বার্নি তাওপিনের সাথে যৌথভাবে কাজ করছেন। এ পর্যন্ত তারা ৩০টিরও বেশি গানের এলবাম প্রকাশ করেছেন। জনের কর্মময় জীবনের চারটি অধ্যায়ে ২৫০ মিলিয়নেরও অধিক গানের রেকর্ড বিক্রি হয় এবং তিনি সর্বকালের সেরা-বিক্রীত মিউজিক এলবামের সফলতম শিল্পী হিসেবে চিহ্নিত হন। তার একক এলবাম ক্যান্ডল ইন দি উইন্ড ১৯৯৭ বিশ্বব্যাপী ৩৩ মিলিয়নেরও অধিক কপি বিক্রী হয় এবং বিলবোর্ড হট ১০০ এর ইতিহাসে সর্বাধিক বিক্রীত একক এলবামের তালিকায় স্থান করে নেয়।

এলটন জন ১৯৪৭ সালের ২৫ মার্চ মিডলসেক্সের পিনারে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম রেজিনাল্ড কেনেথ ডোয়াইট। তিনি স্ট্যানলি ডোয়াইটের জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং শিলা ইলিনের (জন্মনাম: হ্যারিস) একমাত্র সন্তান। তিনি মিডিলসেক্সের পাইনারে মাতামহের বাড়ীতে শৈশবকাল অতিবাহিত করেন। পরবর্তীতে বাসগৃহ স্থানান্তর-সহ এলটনের ৬ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত তার বাবা বিয়ে করেননি। শৈশবেই মাতৃহারা হন তিনি। পাইনার উড জুনিয়র স্কুল, রেড্ডিফোর্ড স্কুল এবং পাইনার কাউন্টি গ্রামার স্কুলে ১৭ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা করেন। কিন্তু জিসিই এডভান্সড লেভেল বা এ লেভেল পরীক্ষার পূর্ব মুহুর্তে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে সঙ্গীত ভুবনে পদার্পণ করেন ও নিজেকে সঙ্গীতে মনোনিবেশ ঘটান। যখন জন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সঙ্গীতকে ঘিরে তার ভবিষ্যত কর্মজীবনের চিন্তাভাবনা করতে শুরু করলেন, তখন রাজকীয় বিমানবাহিনীর ফ্লাইট ল্যাফটেনেন্ট হিসেবে কর্মরত বাবা তাকে ঘিরে সম্মানজনক ও মর্যাদাকর পেশা হিসেবে ব্যাংকিংয়ে যোগদানের জন্য চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু জন পরিষ্কারভাবে জানালেন যে, রক্ষণশীল শৈশবের পর উগ্র পোশাক ও কুশলতাই তাকে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে নিয়ে যাবে।

এলটন জনের পিতা-মাতা উভয়েই সঙ্গীতের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। বাবা সামরিক নৃত্যের সাথে সংশ্লিষ্ট অর্ধ-পেশাদারী বৃহৎ ব্যান্ড হিসেবে বব মিলার ব্যান্ডের প্রধান ছিলেন। ১৯৫৬ সালে মায়ের কেনা এলভিস প্রিসলী এবং বিল হ্যালে অ্যান্ড হিজ কমেটস্‌ রেকর্ডগুলো এলটন জনকে রক অ্যান্ড রোলের জগতে খুব দ্রুত ধাবিত করে। উইনিফ্রেড এটওয়েলের দ্য স্ক্যাটার'স ওয়াল্টজ অনুকরণ করে এলটন জন ৩ বছর বয়সেই পিয়ানো বাজিয়েছিলেন বলে তার মা বলেছেন। ৭ বছর বয়সে পার্টিসহ পারিবারিক পরিবেশে পিয়ানো শেখার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পান তিনি। জন রয়্যাল একাডেমি অব মিউজিকে ১১ বছর বয়সে জুনিয়র বৃত্তি লাভ করেন। পরবর্তী ৫ বছরে তিনি শনিবারের ক্লাসে লন্ডনের ঐ একাডেমীতে উপস্থিত থাকতেন। জন বলেন, তিনি হচ্ছেন এমন এক শিশু যে শুধুমাত্র চর্চাবিহীন অবস্থায় অংশ নিতেন এবং উত্তীর্ণ হতেন। কিন্তু বেশ কয়েকজন ইন্সট্রাক্টর তাকে পরীক্ষা করে আদর্শ ছাত্র হিসেবে চিহ্নিত করেন।

মা এবং সৎপিতার সহযোগিতায় রেজিনাল্ড ডোয়াইট নর্থউড হিলস্‌ হোটেলে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার রাতে সাপ্তাহিক ৩৫ পাউন্ড স্টার্লিং ও বখশিসের বিনিময়ে পিয়ানো বাদক হয়েছিলেন। রেজি নামে সকলের কাছে পরিচিত হয়ে এলটন জন একাদিক্রমে জনপ্রিয় গান হিসেবে জিম রিভস্‌ এবং রে চার্লসের গান গাইতেন। এছাড়াও, তিনি নিজেই সঙ্গীত রচনা করতেন। ১৯৬৪ সালে ডুইট ও তার বন্ধুরা একত্রিত হয়ে ব্লুসোলজি ব্যাণ্ড গঠন করেন। ১৯৬৬ সালে ব্যান্ডটি সঙ্গীত পরিচালক লং জন বলদ্রি'র পরিচালনায় দ্য মার্কু ক্লাবে ১৬ বার সঙ্গীত পরিবেশন করে। এলটন জন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পরিচিত সহ-গীতিকার বার্নি তাওপিনের সাথে ১৯৬৭ সাল থেকে গান লিখেছেন। এ পর্যন্ত তারা যৌথভাবে ৩০টিরও অধিক এলবাম প্রকাশ করেছেন। ১৯৯১ সালে প্রামাণ্যচিত্র টু রুমস্‌-এ এলটন জন এবং তাওপিনের লেখার ধরন সম্বন্ধে আলোকপাত করা হয়। উক্ত প্রামাণচিত্রে তাওপিন তার গান লিখছেন এবং জন লিখিত গানকে সঙ্গীত হিসেবে মেলে ধরছেন। কিন্তু তারা কখনোই একই কক্ষ ব্যবহার করেননি। এলটন জনের সুর ছিল প্রকৃতপক্ষে পুরুষদের চড়া সুর। তার পিয়ানো বাজানোর ভঙ্গীমা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত এবং ধর্মীয় বাণী দ্বারা আচ্ছাদিত ও প্রভাবিত। ১৯৭০ এর দশকে তিনি পল বাকমাস্টারের সুরকে তার স্টুডিওর এলবামগুলোতে প্রয়োগ করেন।

২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে দ্য সানডে টাইমস ধনীদের তালিকা শীর্ষক জরীপে এলটন জনের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করে। এতে তিনি ব্রিটেনের ৩২২তম শীর্ষ ধনী ব্যক্তি হিসেবে ১৭৫ মিলিয়ন পাউন্ডের (২৬৫ মিলিয়ন ডলার) মালিক হিসেবে পরিচিতি পান। ১৯৭৬ সালে রোলিং স্টোনের সাথে সাক্ষাৎকারে তিনি স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের সম্বন্ধে একান্ত আলোচনা করেন। তার বিশ্বাস যে, প্রতিটি মানুষই দ্বৈতসত্ত্বার অধিকারী এবং তার প্রথম যৌন অভিজ্ঞতা ঘটে একান্ত সচিব লিন্ডা উড্রো নামক এক রমণীর সাথে যে তাকে প্রস্তাব দেয়। তার সম্বন্ধে জন সামওয়ান সেভড মাই লাইফ টুনাইট শিরোনামের গানে উল্লেখ করেছেন। পরবর্তীতে জার্মানীর রেকর্ডিং ইঞ্জিনিয়ার রেনেট ব্লাউয়েলকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে ১৯৮৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন'স ডে-তে বিয়ে করেন এলটন জন। চার বছর পর ১৯৮৮ সালে তাদের বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটে। তিনি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, " তিনি সমকামী হিসেবেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন"। ১৯৯৩ সালে তিনি প্রাক্তন উপদেষ্টা নির্বাহী ও কানাডার বর্তমান চিত্র পরিচালক ডেভিড ফার্নিশের সাথে সম্পর্কে জড়ান। ২০০৫ সালের ২১ ডিসেম্বর (এইদিনে বেসামরিক সম্পর্ক বলবৎ করা হয়), এলিটসন এবং ফার্নিশ যুক্তরাজ্যে প্রথম কাপল (দম্পতি) হিসেবে বেসামরিক পার্টনারশিপ গঠন করেন, যা উইন্ডসোর গুইল্ডহলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১৪ সালের মার্চে ইংল্যান্ডে সমকামী বিবাহ বৈধ করায়, ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর তারা তাদের নবম সিভিল পার্টনারশিপ বার্ষিকীতে সেই উইন্ডসোরে বিবাহ করেন। তাদের দুইজন পুত্র আছে। বেশি বয়সের পুত্র জ্যাচারি জ্যাকসন লিভন ফার্নিশ-জন ২০১০ সালের ২৫ ডিসেম্বর ক্যালিফোর্নিয়া তে সারগোসির মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেন।

এলটন জন গান পরিবেশন করে প্রাপ্ত অর্থের অংশবিশেষ ১৯৮৬ সাল থেকে এইডস রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতার অংশ হিসেবে দাতব্য তহবিলে প্রদান করে সম্পৃক্ত আছেন। এইচআইভি/এইডস্‌ রোগ প্রতিরোধে ১৯৯২ সালে এলটন জনের পরিচালনায় এইডস্‌ ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। ২০০৬ সালের শুরুর দিকে জন ইয়ামাহা পিয়ানো ই-বে'র মাধ্যমে নিলামে বিক্রয়ের ব্যবস্থার মাধ্যমে তহবিল বৃদ্ধির জন্য দান করেন।

এলটন জন ১৯৮৭, ১৯৯১, ১৯৯৪, ১৯৯৭, ১৯৯৯ এবং ২০০০ সালে মোট ছয়বার সম্মানজনক গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আমার আঁকা কার্টুন- পিঙ্ক ফ্লয়েড

 

আমার আঁকা কার্টুন- পিঙ্ক ফ্লয়েড

আমার অত্যন্ত পছন্দের একটি ইংলিশ সাইকেডেলিক রক ব্যান্ড 'পিঙ্ক ফ্লয়েড' কে নিয়ে একটি কার্টুন। এটা আমার প্রথম ডিজিটাল কালারিং এর কাজগুলোর মধ্যে একটি।


পিংক ফ্লয়েড ১৯৬৫ সালে গঠিত লন্ডন ভিত্তিক ব্রিটিশ রক ব্যান্ড। ১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে লন্ডনের আন্ডারগ্রাউন্ড সঙ্গীত থেকে উঠে এসে সাইকেডেলিক রক ব্যান্ড হিসেবে তাদের দার্শনিক গানের কথা, সম্প্রসারিত সুরারোপ (কম্পোজিশন), ধ্বনিত নিরীক্ষণ এবং বিস্তৃত সরাসরি পরিবেশনার জন্য দলটি প্রোগ্রেসিভ রক ধারার শীর্ষস্থানীয় ব্যান্ড হয়ে উঠে। তারা জনপ্রিয় সঙ্গীত ইতিহাসের অন্যতম সর্বাধিক বাণিজ্যিকভাবে সফল এবং প্রভাবশালী দল।

পিংক ফ্লয়েড ১৯৬৫ সালে স্থাপত্যবিদ্যার শিক্ষার্থী সিড ব্যারেট (গিটার ও মূল কন্ঠ), নিক মেইসন (ড্রাম), রজার ওয়াটার্স (বেস ও কন্ঠ) এবং রিচার্ড রাইট (কিবোর্ড ও কন্ঠ)- এই চারজন তরুণের সমন্বয়ে গঠিত হয়। ব্যারেটের নেতৃত্বাধীনে দলটি দুটি চার্ট তালিকাভুক্ত একক এবং দ্য পাইপার অ্যাট দ্য গেট্‌স অব ডউন (১৯৬৭) নামে একটি সফল আত্মপ্রকাশ অ্যালবাম প্রকাশ করে। ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বরে, পঞ্চম সদস্য হিসেবে গিটারবাদক ডেভিড গিলমোর দলে যোগদান করেন। ১৯৬৮ সালের এপ্রিলে, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায় ব্যারেট দল ত্যাগ করেন। ওয়াটার্স, ব্যান্ডের প্রাথমিক গীতিকার এবং ধারণাগত নেতা হয়ে ওঠেন, পাশাপাশি তাদের সমালোচনাপূর্ণ এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন (১৯৭৩), উইশ ইউ ওয়্যার হেয়ার (১৯৭৫), অ্যানিম্যাল্‌স (১৯৭৭), দ্য ওয়াল (১৯৭৯) এবং দ্য ফাইনাল কাট (১৯৮৩) অ্যালবামের ধারণা উদ্ভাবন করেন। ব্যান্ডটি এছাড়াও সাতটি চলচ্চিত্রের স্কোর পরিচালনা করেছিল।

ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তায় থাকার দরুন, ১৯৭৯ সালে রাইট পিংক ফ্লয়েড ত্যাগ করেন; ১৯৮৫ সালে একই পথ অনুসরণ করেন ওয়াটার্স। গিলমোর এবং মেইসন পিংক ফ্লয়েড হিসাবে নিজেদের অব্যাহত রাখেন। পরবর্তীতে সক্ষিপ্ত সময়ের জন্য রাইট পুনরায় ব্যান্ডে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর তারা তিনজন উৎপাদন করেন আরো দুটি অ্যালবাম— অ্যা মৌমানট্রি ল্যাপ্‌স অব রিজন (১৯৮৭) ও দ্য ডিভিশন বেল (১৯৯৪)— এবং পরবর্তীতে দীর্ঘকাল নিস্ক্রিয় থাকার আগ পর্যন্ত দলটির সঙ্গীত সফর অব্যাহত রাখেন। প্রায় দুই দশক সময় পরে, ২০০৫ সালে লাইভ এইট নামে বৈশ্বিক সচেতনতা অনুষ্ঠানে পিংক ফ্লয়েড হিসেবে পরিবেশন করতে ব্যারেট ব্যতীত দলের বাকি সদস্যরা সর্বশেষবার একত্রিত হয়েছিলেন। ব্যারেট মারা যান ২০০৬ সালে, এবং রাইট ২০০৮ সালে। পিংক ফ্লয়েডের সর্বশেষ স্টুডিও অ্যালবাম দি এন্ডলেস রিভার (২০১৪), ওয়াটার্সকে ছাড়াই রেকর্ড করা হয়, এবং যা মূলত তাদের অপ্রকাশিত সঙ্গীত উপাদানের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।

পিংক ফ্লয়েডকে ব্রিটিশ সাইকিডেলিয়ার শীর্ষ দলগুলির একটি বিবেচনা করা হয় এবং প্রোগ্রেসিভ রক ও চারিপার্শ্বিক সঙ্গীতের মতো ধারাগুলির বিকাশে অনুপ্রেরণা সৃষ্টির কৃতিত্ব দেওয়া হয়। তাদের চারটি অ্যালবাম যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্য রেকর্ড চার্টে শীর্ষে ছিল; "সি এমিলি প্লে" (১৯৬৭) এবং "অ্যানাদার ব্রিক ইন দ্য ওয়াল, অংশ ২" (১৯৭৯) গানগুলি উভয় অঞ্চলেই দলটির একমাত্র গান হিসাবে শীর্ষ ১০টি এককের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৯৬ সালে ব্যান্ডটি মার্কিন রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেমের এবং ২০০৫ সালে ইউকে মিউজিক হল অব ফেমের অর্ন্তভুক্ত হয়। ২০১৩ সালের হিসাবে, বিশ্বজুড়ে এযাবৎ ব্যান্ডটির প্রায় ২৫০ মিলিয়ন রেকর্ড বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে ৭৪.৫ মিলিয়ন কেবল যুক্তরাষ্ট্রে। এছাড়াও দ্য ডার্ক সাইড অব দ্য মুন এবং দ্য ওয়াল অ্যালবাম দুটি ছিল সর্বকালের শ্রেষ্ঠ-বিক্রি হওয়া অ্যালবাম

মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১

আমার আঁকা কার্টুন - সোনু সুদ

 

সোনু সুদ

অভিনেতা সোনু সুদ এর একটা ক্যারিকেচার করেছিলাম কিছুদিন আগে একটা কার্টুন কম্পিটিশান এর জন্যে। তাতে কোনও প্রাইজ টাইজ পাইনি বটে, কিন্তু আঁকাটা আমার নিজের বেশ ভাল লেগেছিল, তাই সবার সাথে শেয়ার করছি।


সোনু সুদ একজন ভারতীয় অভিনেতা, মডেল এবং প্রযোজক যিনি হিন্দী, তেলেগু এবন তামিল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি অল্প কিছু কন্নড় ও পাঞ্জাবী ছবিতেও অভিনয় করেছেন। এছাড়াও তিনি সমাজসেবা কাজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। কোভিড -১৯ এর সময়কালে অনেক মানুষের উপকার করেছেন। তিনি একমাত্র অভিনেতা যে কিনা নিজের সম্পত্তি বন্ধক করেছিলেন গরীব মানুষদের উপকার করার জন্য।

১৯৯৯ সালে সুদ তামিল ভাষার চলচ্চিত্র কাল্লাঝাগার এবং নেঞ্জিনিলে অভিনয় করেন। এরপরে তিনি তেলেগু চলচ্চিত্র হ্যান্ডস আপে ২০০০ সালে অভিনয় করেন। ২০০১ সালে তিনি মাজুনু তে অভিনয় করেন।


২০০২ সালে শাহেদ এ আজমে অভিনয়ের মাধ্যমে হিন্দী চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। ২০০৪ সালে মনি রত্নমের যুবা এবং ২০০৫ সালে আশিক বানায়া আপনেতে অভিনয় করেন।

বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১

আমার আঁকা কার্টুন- দি বিটলস্‌

 

আমার আঁকা কার্টুন- দি বিটলস্‌
<<PREVIOUS<<                                                        >>NEXT>>


আমার অত্যন্ত পছন্দের একটি ইংলিশ ব্যান্ড 'দি বিটলস্‌' কে নিয়ে একটি কার্টুন। সাদা কালর মধ্যে আঁকা এই কার্টুনটি কলম ও স্কেচ পেন দিয়ে আঁকা। 


দ্য বিটল্‌স ছিল ইংল্যান্ডের লিভারপুলের একটি রক সঙ্গীত গ্রুপ। এর চার সদস্য ছিলেন জন লেননপল ম্যাকার্টনিজর্জ হ্যারিসন এবং রিঙ্গো স্টার। বিটল্‌স জনপ্রিয় ধারার সঙ্গীতের ইতিহাসে সমালোচক ও শ্রোতা উভয় দিক থেকেই শীর্ষস্থানীয় সঙ্গীত দল ছিল। ১৯৬০ এর দশকের মধ্যভাগে বিটল্‌স অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা লাভ করে। ১৯৬৯ এ বিটল্‌স ভেঙ্গে যায়, কিন্তু তা সত্ত্বেও সারা পৃথিবীতে বিটল্‌স এখন পর্যন্ত জনপ্রিয়।


প্রথম যুগের রক এন্ড রোল এবং পপ সঙ্গীতে তাদের প্রভাবের জন্য তাদের শিল্পসম্মত অর্জন ও বাণিজ্যিক সফলতা একটি মর্যাদাপূর্ণ আসনে আসীন হয়ে আছে। যদিও তাদের প্রাথমিক সাঙ্গীতিক ধরন ১৯৫০-এর রক এ্যান্ড রোল এর মূলে প্রোথিত ছিল, তারপরও বিভিন্ন সাঙ্গীতিক ধরন, যেমন, লোক সঙ্গীত, রকাবেলী সাইকেডেলিক এবং ভারতীয় সঙ্গীতের বিভিন্নতাকে ধারণ করেছিল বিটল্‌স।


বিটল্‌স্ এর প্রভাব সঙ্গীতের বাহিরেও ব্যাপ্ত ছিল। তাদের পোশাক-আশাক, কেশবিন্যাস, বক্তব্য, এমনকি তাদের পছন্দের সঙ্গীত যন্ত্রসমূহের প্রভাব ১৯৬০ দশকজুড়ে তাদেরকে দৃষ্টান্ত সৃষ্টিকারী হিসেবে তৈরি করে ফেলেছিল। আজ পর্যন্ত বিটল্‌স অন্য যেকোন ব্যান্ড দলের চেয়ে বেশি অ্যালবাম বিক্রি করেছে। যুক্তরাজ্যে তাদের ৪০টি বিভিন্ন অ্যালবাম বেরিয়েছিল যা সর্বোচ্চ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। এই বাণিজ্যিক সফলতার পুনরাবৃত্তি হয়েছিল অন্যান্য অনেক দেশেই। ই.এম.আই. এর অনুমান অনুযায়ী ১৯৮৫ এর মধ্যে বিটল্‌স্ এর এক বিলিয়নের উপর ডিস্ক ও টেপ বিক্রি হয়েছিল। আমেরিকাতেও একক গান এবং অ্যালবাম বিক্রির ক্ষেত্রে বিটল্‌স ছিল সর্বকালের সেরা শিল্পী দল।


২০০৪ সালে রোলিং স্টোন ম্যাগাজিন বিটল্‌সকে সর্বকালের সেরা ১০০ শ্রেষ্ঠ শিল্পীর তালিকার শীর্ষে স্থান দেয়।